বিজ্ঞাপন

কালিয়াকৈরে খানাখন্দে ভরা সড়ক, চরম ভোগান্তিতে হাজারো শ্রমিক

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা সিপি গেট থেকে কালামপুর ইয়াসিন মার্কেট পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। সড়কের অসংখ্য গর্তে পানি জমে থাকায় প্রতিদিন হাজারো গার্মেন্টস শ্রমিক, পথচারী ও যানবাহন চালক চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তে পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও পিচ উঠে গিয়ে রাস্তা কাদাময় হয়ে পড়েছে। 

দুই পাশে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকায় পরিবেশও নোংরা হয়ে আছে। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় কাদা ছিটকে পথচারীদের পোশাক নষ্ট হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে বালুবাহী ট্রাক, গার্মেন্টসের মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানসহ অতিরিক্ত ওজনের অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ভ্যানচালক রফি জানান, আগে চান্দরা সিপি থেকে কালামপুর ইয়াসিন মার্কেটে যেতে ১০ মিনিট লাগলেও এখন প্রায় ৩০ মিনিট সময় লাগে। গর্তে পড়ে প্রায়ই গাড়ির যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গার্মেন্টস কর্মী নাফসা আক্তার বলেন, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে কাদাপানিতে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের চলাচলে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

কালামপুর ইয়াসিন মার্কেটের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে ক্রেতাদের যাতায়াত কমে গেছে, ফলে ব্যবসায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

কালিয়াকৈর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী হরিপদ রায় বলেন, সড়কের সমস্যা সম্পর্কে তারা অবগত রয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, অতিরিক্ত ওজনের যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সড়ক সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং অতিরিক্ত ওজনের যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পড়ুন: পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম বোর্ডের সঙ্গে: শিক্ষামন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন