বিজ্ঞাপন

বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন ‘রামায়ণ’ অভিনেতা

প্রায় ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন মারাঠি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত মুখ অভিনেতা আদীনাথ কোঠারে ও অভিনেত্রী ঊর্মিলা কানেটকর। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে ডিভোর্স বা বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন এই তারকা জুটি।

বিজ্ঞাপন

এ জুটি জানিয়েছেন, পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবেই বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনদের তারা আশ্বস্ত করেছেন, তাদের মেয়ে জিজাহ সবসময়ই তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে এবং তার যৌথভাবে সন্তানের অভিভাবকত্ব বজায় রাখবেন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদীনাথ ও ঊর্মিলা বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের বন্ধু, গণমাধ্যম ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশ্যে বলছি―অনেক চিন্তা, ভাবনা ও বিবেচনার পর আমি আদীনাথ ও ঊর্মিলা সঙ্গী হিসেবে পারস্পরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দম্পতি হিসেবে আমাদের পথচলা এখানেই শেষ।’

এছাড়া একমাত্র সন্তানের ব্যাপারে তারা বলেছেন, ‘আমাদের সন্তান জিজাহর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা অপরিবর্তিত থাকবে। সে আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ভালোবাসা, নিরাপত্তা ও সমর্থনের মধ্যে যেন বড় হতে পারে, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে যৌথভাবে ওর অভিভাবকত্ব পালন করে যাব।’

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’ সিনেমার সেটে আদিনাথ ও ঊর্মিলার সম্পর্কের শুরু হয়। আদীনাথের বাবা মহেশ কোঠারে পরিচালিত এই সিনেমার মাধ্যমেই অভিনয়ে অভিষেক হয়েছিল ঊর্মিলার। তারা একসঙ্গে কয়েক বছর থাকার পর ২০১১ সালে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ২০১৮ সালে তাদের সংসারে কন্যাসন্তান জিজাহর আগমন ঘটে।

অভিনেত্রী ঊর্মিলা ‘দুনিয়াদারি’, ‘মালা আই ভায়চি’ ও ‘তি সাধ্য কে করতে’র মতো সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন। পাশাপাশি হিন্দি ও তেলেগু সিনেমায়ও কাজ করেছেন। আর আদিনাথ অভিনেতা ও নির্মাতা উভয় হিসেবে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন। শিগগিরই পরিচালক নিতেশ তিওয়ারির খ্যাতনামা ‘রামায়ণ’ সিনেমায় ভরত চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। একইসঙ্গে মারাঠি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।

পড়ুন : ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন