যমুনা রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবিএস (ABS)-এর বিরুদ্ধে নতুন করে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) জমি থেকে মাটি কেটে লেক ভরাটের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পাশাপাশি এবার আইএইচআই (IHI) কোম্পানির বিপুল পরিমাণ লোহার স্ক্র্যাপ এবিএসের নামে গেটপাস করে বাইরে বিক্রি এবং স্ক্র্যাপ বিক্রির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও সামনে এসেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আইএইচআই কোম্পানির বিপুল পরিমাণ লোহার স্ক্র্যাপ এবিএসের নামে গেটপাস করে সিরাজগঞ্জের বাইরে বিক্রি করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রামে স্ক্র্যাপ বিক্রির কথা বলে এবিএসের এক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক (এডমিন ম্যানেজার) ক্রেতার কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ গ্রহণ করলেও পরে স্ক্র্যাপ সরবরাহ না করে সেই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই জনবল (ম্যানপাওয়ার) সরবরাহ করার অভিযোগও উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ম্যানপাওয়ার সরবরাহের বৈধ লাইসেন্স না থাকলেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক সরবরাহ করে আসছে এবিএস।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে এবিএস কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে এবিএস কোম্পানির ব্যবস্থাপক মোঃ বাশার বলেন, এবিএস কোম্পানির ম্যানপাওয়ার লাইসেন্স না থাকলেও সমঝোতার ভিত্তিতে জনবল সরবরাহ করা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যমুনা রেল সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় লেক ভরাটের কাজে টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী বাইরে থেকে মাটি সংগ্রহ না করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) মালিকানাধীন জমি থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মাটি কেটে তা প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে সরকারি সম্পদের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি আশপাশের কৃষিজমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পড়ুন : দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বৃক্ষ রোপন অভিযানে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি


