বিজ্ঞাপন

সার নিয়ে কেউ যদি কারসাজি করতে চায়, তাকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দিবেন: ফরহাদ হোসেন আজাদ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, কৃষকেরা যাতে নির্বিঘ্নে কৃষিকাজ করতে পারেন এনিয়ে তারেক রহমানের সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তবে সার নিয়ে কেউ সংকট সৃষ্টি ও কারসাজি করতে চাইলে তাদের সোজা আইনের হাতে তুলে দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

রবিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বোদা মডেল পাইলট সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে কৃষি ঋণ মওকুফ সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, কৃষক উন্নত হলে দেশের উন্নতি হবে, কৃষক স্বাবলম্বী হলে দেশ স্বাবলম্বী হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর দেশ। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। তাই সার নিয়ে সংকট ও কারসাজি করলে সে যে দলের হোক, যে মতের হোক, যে ধর্মের হোক, এই ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই, কোনো আপোষ নেই।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে খাদ্য সংকট মোকাবেলা করার লক্ষ্যে বহু মাত্রিক কৃষি উৎপাদন পদ্ধতি প্রচলন করেন। ১৯৭৮-৭৯ সালে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনিই প্রথম ব্যাংকিং ব্যাবস্থার আওতায় সল্প সুদে বিনা জামানতে কৃষি ঋণ ব্যবস্থা চালু করেন এবং ১০০ কোটি টাকার সল্প মেয়াদী কৃষি শস্য উৎপাদন তহবিল গঠন করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৫ সালে এ খাতে ঋণের প্রচলন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায় এবং বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রী যিনি কৃষকদের বিভিন্ন খাতে নেওয়া ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খেলাপি কৃষি ঋণ সম্পূর্ন মওকুফ করেছিলেন। ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠন করলে তিনি প্রতিটি বাড়ি হবে ক্ষুদ্র খামার এ বিবেচনায় বিনা জামানতে গৃহ পালিত পশু, হাঁস মুরগী, মাছ ইত্যাদি খাতে কৃষি ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া সহজ করেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বোদা উপজেলার ৫ হাজার ৮৯০ জন কৃষকের ৮ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ সহ হাতে সনদপত্র তুলে দেন। পরে প্রতিজনকে ৫টি করে ফলজ, বনজ সহ ২৯ হাজার ৪৫০ টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার আবু সাইম, বোদা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহেমদ রাশেদ উন নবী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এসময় বোদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক, পৌর বিএনপির সভাপতিসহ বোদা উপজেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের নিয়ে কৃষক আনন্দ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। কৃষকদের নিয়ে বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়।

পড়ুন : শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন