টাঙ্গাইলে ব্যাংকের নারী কর্মকর্তার ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখল, পাকা বাউন্ডারি নির্মাণ এবং ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী নাসরিন আক্তার সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয়াসহ ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নাসরিন আক্তার বলেন, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর আমি ফাতেমা ইয়াসমিনের কাছ থেকে ৭ শতাংশ জমি ক্রয় করি। পরবর্তীতে জমিটির নামজারি ও খাজনা সম্পন্ন করি। গত ২১ মে সকালে প্রভাব দেখিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খন্দকার ইমন, মো. মাসুম, মো. জাহাঙ্গীর, মো. সেলিমসহ একদল লোক জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে পাকা বাউন্ডারি কাজ শুরু করে। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে মারতে আসে। পরবর্তীতে টাঙ্গাইল থানা পুলিশের সহযোগিতায় কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে আমি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৭ জুলাই তারা ওই জমিতে প্রবেশের রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং জোরপূর্বক ঘাস রোপণ করে। এর প্রতিবাদ করায় আমার বৃদ্ধা মা বিউটি বেগমকে রাস্তায় আটকে গালিগালাজ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে স্থানীয় মাতব্বররা গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করলেও অভিযুক্তরা তা অমান্য করে বিশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে জমি থেকে ১ শতাংশ জায়গা দাবি করে তারা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমিসহ আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় গত ১৬ জুলাই আমি পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এসময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন অর্থবছরের অনুদান প্রদান


