বিজ্ঞাপন

বাড়ি ফেরার পথে কেন্দুয়ায় ব্যবসায়ীর ওপর হামলা: নগদ অর্থসহ মোবাইল লুট

নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র সাউদপাড়ার মতির মোড়ে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীদের সশস্ত্র হামলায় আনিসুল হক টিপু নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার কাছ থেকে নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টা ১০ মিনিটের দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর বিবরণ থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে প্রতিদিনের মতো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে সাউদপাড়া মতির মোড় থেকে পায়ে হেঁটে নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন আনিসুল হক টিপু। বাসায় পৌঁছানোর কয়েক মিনিট আগে তিন-চার জনের একটি সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তের দল অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে তার গতিরোধ করে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে এবং নগদ অর্থসহ মোবাইলগুলো লুট করে পালিয়ে যায়।

ছিনতাইয়ের শিকার ব্যবসায়ী আনিসুল হক টিপু জানান, তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোনেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। ফোনগুলোতে বিকাশ, নগদ, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং ফ্লেক্সিলোডের অ্যাকাউন্ট ছিল। এসব অ্যাকাউন্টে গ্রাহকদের কয়েক লাখ টাকার লেনদেন চলমান ছিল। মোবাইলগুলো খোয়া যাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এ ঘটনায় বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে। ঘটনাটিতে নিয়মিত মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পৌর শহরের ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন সশস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িত ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

পড়ুন:স্ক্রিপ নেটিং সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৮ দফা দাবিতে বিএসইসিকে স্মারকলিপি

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন