বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সেন্টার ফর সিভিল রাইটসের মহাসচিব ও বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এ এস এম শাহরিয়ার কবীর বলেছেন, পূর্ব পাকিস্তানকে ভাগ করা হয়েছে পাকিস্তানের কাছ থেকে পাকিস্তানকে দূর্বল করার জন্য। আমাদের স্বাধীনতার জন্য নয়। যারা বলে বাংলাদেশ স্বাধীনতার জন্য ভারত সাহায্য করেছে এর থেকে মিথ্যাচার আর কোন কিছু হতে পারে না। গত ৫৫ বছর অবৈধ সংবিধান ধারা এ দেশকে ভারতের দাসে পরিণত করা হয়েছে। যারা জয়লাভ করলেন ভোটের আগে তারা হ্যাঁ বলছেন। ভোটের পরে তারা বুজতে চাচ্ছেন না, এই সংবিধান কেন অবৈধ।
শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা ও সেমিনার প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ৫৫ বছর পর ভারত সম্বিত ফিরে পেয়েছে। ভারতের মিডিয়া বলছে জামায়ত ইসলামী ভারতের আন্দোলন পরিচালনা ও অর্থ যোগান দিচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমরা বাংলাদেশ চালাতে পারবো না? বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী এখন ভারতকে চালাচ্ছে। আজকে আবার আরেকটি টিভিতে দেখেছি, জামায়াত সমস্ত অর্থ যোগান দিচ্ছেন। তিনি সরকারকে হুশিয়ারি করে বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আন্দোলন শুরু করলে সরকারকেও নামাতে সময় লাগবে না।
তিনি আরো বলেন, ২৪ ছিলো ইসলামকে ধারণ করার, ২৪ ছিলো ভারতের তাবিদারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ। জুলাই সনদ ছিলো ইনসাফের প্রতীক। এই সংবিধান পরিবর্তন করা হলে আমার কোন ভাই বোনকে সুদের দায়ে মৃত্যুবরণ করতে হবে না।
রাষ্ট্রপতি সর্ম্পকে তিনি বলেন, এই চুপ্পু হচ্ছে মালয়েশিয়ার এবং দুবাইয়ের সিটিজেন। সংবিধানে লেখা রয়েছে কোন বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবে না। এই রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা। এর বিচার করতে হবে। যার (রাষ্ট্রপতি) থাকার কথা কারাগারে, আর আপনি রেখেছেন ফাইভ স্টার হোটেলে।
তিনি বলেন, আমরা ভারত পাকিস্তান কিছুই বুজি না। যে জমিন আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন সেখানে ইসলাম কায়েম করতে চাই। এই জমিনে ভারতের তাবিদারি চলবে না।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব। টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আহছান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাাখেন, এনসিপি’র ঢাকা বিভাগের সভাপতি সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, খেলাফত মসজিসের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, ইসলামী ছাত্র শিবিবের জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম খান প্রমুখ। এ সময় জেলা ও উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

