বিজ্ঞাপন

সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ; তদন্তের অগ্রগতি জানতে চায় সাংবাদিক মহল

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, মারধর ও সাংবাদিকতা সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগের এক সপ্তাহ পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তারা ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কাশিমপুর থানাধীন ১ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ পানিশাইল পলাশ হাউজিং এলাকায় সংবাদ সংগ্রহে যান সাংবাদিক মো. জামাল আহমেদ ও তাঁর সহকর্মী মো. ইমরুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে পৌঁছানোর পর একদল ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে হামলা চালায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা হকিস্টিক, লোহার রড, গ্যাস পাইপ, কাঠের বাটাম ও বাঁশের লাঠি দিয়ে তাদের মারধর করে। এতে সাংবাদিক জামাল আহমেদ মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। তাঁর সহকর্মীও আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় সাংবাদিক জামাল আহমেদের ব্যবহৃত Tecno Camon 50 Ultra ও Vivo Y21d মোবাইল ফোন, সাংবাদিক পরিচয়পত্র, প্রেস আইডি, একটি Panasonic AG-CX350 4K ক্যামেরা, কর্ডলেস মাইক্রোফোন, নগদ অর্থ এবং সংবাদ সংগ্রহে ব্যবহৃত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সরঞ্জামের বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা।

হামলার পর স্থানীয় লোকজন ও সহকর্মীরা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসা শেষে এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের সঙ্গে চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযোগ দায়েরের এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সাংবাদিকরা সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিএনপি সরকার ব্যর্থ হলে এ দেশে কেউ বাস করতে পারবে না : শরীয়তপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন