বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামে চোরাই ৪ সিএনজি অটোরিকশাসহ আন্তঃজেলা চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের পটিয়ায় চোরাই সিএনজি অটোরিকশা ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত একটি আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি চোরাই সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে পটিয়া পৌরসভার বাহুলী এলাকায় কৃষি উন্নয়ন বোর্ডের পূর্ব পাশে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসংলগ্ন ফাতেমা মোটরসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের চোরাই যানবাহন চক্রবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে পটিয়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকদিন ধরে চক্রটির গতিবিধির ওপর নজরদারি চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে চোরাই সিএনজি অটোরিকশা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় মো. নুরুল আমিন (৩০), উজ্জ্বল মিয়া (৩৬) ও রিমন আহমদ (২৭) নামে তিনজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে চারটি চোরাই সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি নম্বরবিহীন এবং অপরটির নিবন্ধন নম্বর চট্টমেট্রো-থ-১১-৪৩৪৩।

পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসআই (নিঃ) মো. আখতার হোছাইন, এএসআই (নিঃ) মীর মো. মনির হোসেন, এএসআই (নিঃ) আল আমিন খানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চোরাই যানবাহন চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। উদ্ধার হওয়া অটোরিকশাগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্ত এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চোরাই যানবাহন ক্রয়-বিক্রয়, সংঘবদ্ধ অপরাধ, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত কোনো চক্রের বিরুদ্ধেই ছাড় দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে এসব অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন : কাশিমপুর ভূমি অফিসে চরম অনিয়ম: সব কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন