থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন শিক্ষক এবং হামলাকারী শিক্ষার্থীও রয়েছে।
শুক্রবার সকালে থাইল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলার একটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় বিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবর্ষণের ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এর আগে থাই পুলিশ জানিয়েছিল, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও মারা গেছে।
ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের শীর্ষ নির্বাহী দেচরাপি কংদি সাংবাদিকদের বলেন, “প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন।” তিনি হামলাকারীর নাম প্রকাশ না করলেও জানান, সে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং তার বয়স আনুমানিক ১৪ বছর।
দেচরাপি কংদি আরও জানান, “স্কুলভবনের তৃতীয় তলার একটি ফাঁকা কক্ষ থেকে গুলি ছুড়েছিল ওই শিক্ষার্থী। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সে নিজে আত্মঘাতী হয়। গুলি শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা স্কুল থেকে সরে পড়েছিলেন।”
আরেক পুলিশ কর্মকর্তা পাসাকর্ন চাইতাউইয়ং জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। কী কারণে ওই শিক্ষার্থী হামলা চালিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রাদেশিক পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
সূত্র: বিবিসি
পড়ুন: নতুন সামরিক জোট গঠন করতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান
আর/


