বরগুনার বেতাগী উপজেলার উত্তর রানীপুরে ডাঙার খালের দুই পাশের তিন কিলোমিটার সড়কে প্রায় এক হাজার ফলজ, ভেষজ ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সবুজায়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনের লক্ষ্যে নেওয়া এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
সোমবার সকালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরগুনার জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার। পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের সৌজন্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। খনন করা ডাঙার খালের দুই পাশের সড়কজুড়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার বলেন, বৃক্ষ মানুষের জীবন ও পরিবেশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পরিকল্পিতভাবে রাস্তার পাশে ফলজ, ভেষজ ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ লাগানো হলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে স্থানীয় মানুষের পুষ্টি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি আরও বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, রোপণ করা প্রতিটি চারার যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় মানুষ ও সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিত উদ্যোগে এসব গাছ বড় হয়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকাটি আরও সবুজ ও নান্দনিক হয়ে উঠবে। এ জন্য রোপণ করা চারাগুলোর পরিচর্যায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, ডাঙার খাল খননের পর খালের দুই পাশের সড়কে গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গাছগুলো বড় হলে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ছায়া পাবেন। পাশাপাশি ফলজ ও ভেষজ গাছ থেকে ভবিষ্যতে স্থানীয় মানুষ উপকৃত হবেন।
ডাঙার খালের দুই পাশের সড়কে বৃক্ষরোপণের এ উদ্যোগ নেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সিনিয়র ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট আল আমিন হোসেন সজল। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেন সাবেক যুগ্মসচিব রেজাউল করিম খান। তাঁদের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কজুড়ে এক হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহ. সাদ্দাম, পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : অসাধু চক্রের ষড়যন্ত্রে থমকে যাচ্ছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উন্নয়ন


