সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরীর সিলগালা গোডাউন থেকে আদালতের জব্দকৃত ৯৯ মেট্রিকটন মালামাল উধাও হওয়ার ঘটনায় অবশেষে তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে বিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিলো। আজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন কমিটির সদস্যরা। দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা তাদের।
উল্লেখ্য যে সৈয়দপুর বিসিকি শিল্পনগরীর এই গোডাউনটিতে ২০২৪ সালের ২৫ জনু যৌথ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ৯৯ টন কিটনাশক জব্দ করেছিলো উপজেলা প্রশাসন। গোডাইনটি সীলগালা করে আদালতের নিদেশ না পাওয়া পযর্ন্ত আলামত সংরক্ষনের দায়িত্বে দেওয়া হয় বিসিক কতৃপক্ষকে।
উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট এমনি চিত্র উঠে উঠে এসেছে তদন্ত পরিদর্শনে। আদালতের জব্দকৃত মালামাল এর গোডাউনে সামনের গেট সিলগালা করা
তদন্ত চলাকালে মামলার বাদী কৃষি কর্মকর্তা, মালামালের জিম্মাদার সৈয়দপুর বিসিক শিল্পনগরী কর্মকর্তা, অভিযুক্ত ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্ত কমিটি সদস্যরা। তবে কি ভাবে মালামাল উদ্ধাও হলে এবিষয়ে কিছুই না জানেনা অভিযুক্ত ব্যবসায়ী।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। গঠন করা হয় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। তদন্ত শেষে দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন জমা করার আশ্বাস দিয়েছেন সদস্যরা।
পড়ুন : কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মীর হেলালের


