বিজ্ঞাপন

বারহাট্টায় ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’-এ ১ম মামলা, ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫

নেত্রকোনার বারহাট্টায় গভীর রাতে মুদির দোকানে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে দুজন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এরআগে, গতকাল দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার আসমা ইউনিয়নের হরিয়াতলা গ্রামের মেম্বার মার্কেটে এ অভিযান চালায় বারহাট্টা থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার আসমা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও হরিয়াতলা গ্রামের মৃত নবী নেওয়াজের ছেলে মো. লিটন মিয়া (৫০) এবং একই ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ছয়গাঁও গ্রামের মো. সামছুদ্দিনের ছেলে মো. এমদাদুল হক হীরা (৪০)।

গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন- ছয়গাঁও গ্রামের মৃত চানফর আলীর ছেলে মো. একদিল মিয়া (৩৮), হরিয়াতলা গ্রামের মৃত আলতাফুর রহমান আলতু মেম্বারের ছেলে মো. সাব্বির আহমেদ (৩২) এবং একই গ্রামের মৃত উপেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বশর্মার ছেলে হিরেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বশর্মা। এর মধ্যে মো. সাব্বির আহমেদ ওই মুদি দোকানের মালিক।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে হরিয়াতলা গ্রামের পাকা রাস্তা সংলগ্ন মেম্বার মার্কেটে মো. সাব্বির আহমেদের মুদির দোকানের ভেতর জুয়ার আসর বসেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ হাতেনাতে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সদ্য প্রণীত ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’ এর আওতায় নিয়মিত মামলা রুজু করে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও জানান, নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইনের অধীনে বারহাট্টা থানায় এটিই প্রথম মামলা জানান তিনি।

জনপ্রতিনিধি হয়েও ইউপি সদস্যদের এমন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চট্টগ্রামে চলন্ত বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, আহত ১০

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন