সিরাজগঞ্জ শহরের একমাত্র সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সিএনজি, হাইয়েস ও বাসের চালকেরা। গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করায় সড়কে সিএনজি সংকটও বাড়ছে। অনেক চালক গ্যাসের আশায় রাতে নিজেদের পরিবহণেই রাত্রিযাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ শহরের এ্যালবাট্রস এনার্জী সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিন সকালেও গ্যাসের জন্য পাম্পে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করতে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। কেউ ২৪ ঘণ্টা, কেউ ২৭ ঘণ্টা আবার কেউ ২৮ ঘণ্টা ধরে গ্যাসের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানান চালকেরা।
এনায়েতপুর-বেলকুচি রোডে সিএনজি চালক সবুজ মিয়া জানান, বুধবার সকাল থেকে এই সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এসে গ্যাস নেওয়ার জন্য সিরিয়াল দিয়েছি কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এসেও গ্যাস পাইনি। তারমতে, ২৪ ঘন্টা ধরে গ্যাসের জন্য সিরিয়াল দিয়েছি কিন্তু গ্যাস পাইনি। যারা দায়িত্বে আছে, তারা বলছে গ্যাস নাই, গ্যাস সরবরাহ আসলে দেয়া হবে।
রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া থেকে কাঠেরপুল রুটের সিএনজি চালাক আমজাদ হোসেন জানান, আমি ২৭ ঘন্টা ধরে গ্যাসের জন্য আছি। আমার বাসা দূরে হওয়ায় রাতে সিএনজিতেই ঘুমিয়েছি, কিন্তু এখনো বলতে পারছিনা গ্যাস দিবে কিনা। একাধিক চালকদের মতে আমরা গতকাল ৩০ মিনিটের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিলাম কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
বাস চালক নজরুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, আমি গতকাল এসে সিরিয়াল দিয়েছি। এখনো গ্যাস পায়নি। রাতে বাসেই ঘুমিয়েছি। সকালেও গ্যাস নেই।
এ্যালবাট্রস এনার্জী লিমিটেড সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ক্যাশ কাউন্টারে দায়িত্বরত মো. পলাশ জানান, গত ১২ আগস্ট সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ টা থেকে গ্যাস নাই। সারা বাংলাদেশে একই অবস্থা। গ্যাস সরবাহ পেলে আমরা গ্যাস দিতে পারব।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, অতিদ্রুতই গ্যাস সংকট সমাধান হয়ে যাবে।
পড়ুন : সদরপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ দোকানিকে ৯০ হাজার টাকা অনুদান


