বিজ্ঞাপন

মারা গেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনাল কিংবদন্তি জিমি রিমার

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও অ্যাস্টন ভিলার সাবেক গোলরক্ষক জিমি রিমার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছে গোল ডটকম।

বিজ্ঞাপন

দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে রিমার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ইউরোপিয়ান কাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। দুই ক্লাবের হয়ে একবার করে ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতার শিরোপা জেতা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন।

ল্যাঙ্কাশায়ারে জন্ম নেয়া রিমার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের যুব একাডেমি থেকে উঠে আসেন। ১৯৬৮ সালে বেনফিকার বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ঐতিহাসিক ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনাল জয়েও তিনি দলের সঙ্গে ছিলেন। তবে ম্যাচে তাকে বেঞ্চেই বসে থাকতে হয়েছিল।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রায় নয় বছর কাটালেও বেশিরভাগ সময়ই তাকে অ্যালেক্স স্টেপনির বিকল্প গোলরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। ১৯৭৪ সালে তিনি যোগ দেন আর্সেনালে। এরপর ১৯৭৭ সালে অ্যাস্টন ভিলায় পাড়ি জমানোর পরই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল অধ্যায় শুরু হয়।

অ্যাস্টন ভিলার হয়ে রিমার ২২৯টি লিগ ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৮২ সালের ইউরোপিয়ান কাপ অভিযানে দলের প্রতিটি ম্যাচেই গোলপোস্ট সামলান তিনি। তবে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ফাইনালে ঘটে যায় ক্যারিয়ারের অন্যতম বেদনাদায়ক ঘটনা। ম্যাচ শুরুর মাত্র নয় মিনিটের মাথায় চোটের কারণে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়।

শেষ পর্যন্ত রিমারের জায়গায় মাঠে নামা নাইজেল স্পিঙ্কের অসাধারণ পারফরম্যান্সে অ্যাস্টন ভিলা ১-০ গোলে বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়ে ইউরোপিয়ান কাপ জেতে।

রিমারের মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর অ্যাস্টন ভিলা এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

ক্লাবটি জানায়, ‘ইউরোপিয়ান কাপজয়ী জিমি রিমারের ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যুর খবর জেনে অ্যাস্টন ভিলা গভীরভাবে শোকাহত। এই কঠিন সময়ে জিমির পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি ক্লাবের সবার সমবেদনা রইল।’

রিমারের সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ অ্যালেক্স স্টেপনিও তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘জিমি রিমারের মৃত্যুর খবর শুনে খুবই খারাপ লাগছে। শান্তিতে বিশ্রাম নাও। জিমির পরিবারকে আমার ভালোবাসা ও সমবেদনা।’

এর এক দিন আগেই স্টেপনি জানিয়েছিলেন, পড়ে গিয়ে রিমারের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তখন তিনি সাবেক সতীর্থের দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভকামনাও জানিয়েছিলেন।

১৯৮৩ সালে অ্যাস্টন ভিলা ছাড়ার পর রিমার তিন বছর খেলেছেন সোয়ানসি সিটিতে। ১৯৮৬ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য খেলেন মাল্টার হামরুন স্পার্টানস ও ইংল্যান্ডের লুটন টাউনে।

ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়েও তার একটি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর্সেনালে থাকাকালে ইতালির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

পড়ুন : পিএসজিকে হারিয়ে ফরাসি সুপার কাপ জিতল দে লাঁস

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন