বিজ্ঞাপন

ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারকে হরমুজ পারাপারের অনুমতি দিল ইরান

বিভিন্ন পক্ষের অনুরোধের পর ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। শনিবার (২২ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ ইরাক সফর করেন। সফরে ডলার এড়িয়ে দুই দেশের নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্যের বিষয়ে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি ইরাকি ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ প্রণালি পারাপারে বিশেষ অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানায় বাগদাদ।

শনিবার ইরাকের প্রেসিডেন্ট নিজার আমেদি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের পক্ষ থেকে ইরাকের তেলবাহী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে সহযোগিতা করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই জলপথ দিয়ে ইরাকি তেল রপ্তানির বিষয়েও ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে বাগদাদ।

তবে বিষয়টি এখনও জটিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। বাগদাদে আয়োজিত ‘বাগদাদ ডায়ালগ’ নীতি সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ইরাকের প্রেসিডেন্ট।

ইরানের অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাক। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখনও এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অনেক কম। হামলার আশঙ্কায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলোও এই জলপথ এড়িয়ে চলছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি জানিয়েছেন, তুরস্কের জেইহান (Ceyhan) বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে বাগদাদ। পাশাপাশি সিরিয়ার বানিয়াস (Baniyas) ও জর্ডানের আকাবা (Aqaba) বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি শুরুর উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, হরমুজ প্রণালির চলমান উত্তেজনার মধ্যে তেল উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ইরাক। সংঘাতের আগে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করত এবং প্রতি মাসে গড়ে ১০ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত। এর বড় অংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বসরা তেল টার্মিনাল থেকে রপ্তানি করা হতো।

তবে হরমুজে সংঘাতের কারণে ইরাকের তেল উৎপাদন ও রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

পড়ুন: রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন