বিজ্ঞাপন

ক্যান্সারে আক্রান্ত রাজমিস্ত্রি জিলন বাচঁতে চায়

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি মোহাম্মদ জিলন (৩২)। কঠোর পরিশ্রমে দুই ছেলেকে নিয়ে ভালোই চলছিল তার সংসার। কিন্তু হঠাৎ মরণব্যাধি ক্যানসার থাবা বসিয়েছে তার জীবনে। শুধু তিনি নিজেই নন, তার স্ত্রীও দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন মারাত্মক কিডনিজনিত জটিলতায়।

বিজ্ঞাপন

​ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারটি তাদের সহায়-সম্বল উজাড় করে চিকিৎসা শুরু করে। ইতিমধ্যে মহাখালীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসা নিতে গিয়ে তাদের প্রায় তিন লক্ষ টাকা ব্যয় হয়ে গেছে। জিলনের দুই সন্তান এখনো ছোট এবং কোনো কাজকর্ম শুরু করার মতো বয়সে পৌঁছায়নি।

​পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী হওয়ায় বর্তমানে পুরো পরিবারটি এক অনিশ্চিত অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে। সঞ্চয় ও সহায়-সম্বল শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন চিকিৎসার খরচ চালানো তো দূরের কথা, দৈনন্দিন জীবনযাত্রাই অচল হয়ে পড়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, নিয়মিত চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা পেলে জিলন আবারো সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। তবে তার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা এই নিঃস্ব পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা একেবারেই অসম্ভব।

​এই সংকটময় মুহূর্তে ক্যানসার বিজয়ী হয়ে বাঁচতে চান রাজমিস্ত্রি জিলন। তিনি ও তার পরিবার সমাজের দানশীল, বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষের কাছে মানবিক সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

​সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম:

আপনার সামান্য সহযোগিতাই পারে একটি পরিবারকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং রাজমিস্ত্রি জিলন ও তার স্ত্রীকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে।

​বিকাশ / নগদ (ব্যক্তিগত): ০১৭৪৯৪৫৩৭৬১

পড়ুন : ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যা

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন