বিজ্ঞাপন

পুঁজিবাজারে ১০ কোম্পানি আনার উদ্যোগ: ডিসেম্বরে স্ক্রিপ নিটিং ও টি+১ চালু

বিজ্ঞাপন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সংকট কাটাতে ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি ব্লু-চিপ কোম্পানিকে ডিরেক্ট লিস্টিং অথবা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুঁজিবাজারে স্ক্রিপ নিটিং ও টি+১ চালুসহ নানা উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিএসই আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে পুঁজিবাজারে ভালো কোনো আইপিও বা নতুন লিস্টিং হয়নি। এ অবস্থায় বাজারে নতুন ও মানসম্মত সিকিউরিটিজ আনার জন্য ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের নতুন বিধিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আইপিও বিধিমালা সহজ করার কাজও চলছে।

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আশা করছি যে আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে আমাদের লক্ষ্য অ্যাটলিস্ট ১০টি ব্লু-চিপ কোম্পানিকে ডিরেক্ট লিস্টিং অর আইপিওর মাধ্যমে বাজারে নিয়ে আসা। সেটা সরকারি কোম্পানি হতে পারে, বহুজাতিক কোম্পানি হতে পারে বা দেশীয় ব্লু-চিপ হতে পারে।

তিনি বলেন, ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের নতুন নিয়মের মাধ্যমে ভালো ও বড় কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসার পথ সুগম করা হবে। পাশাপাশি দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ইস্যুয়াররা যাতে পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহী হয়, সেজন্য আইপিও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বন্ড লিস্টিংয়ের লিস্টিং ফি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে ডিরেক্ট লিস্টিং বা আইপিওর জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে আবেদন করলে তার লিস্টিং ফি ৫০ শতাংশ মওকুফ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএসই চেয়ারম্যান বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার প্রসঙ্গে বলেন, পাঁচটি ডিফল্টার ব্রোকারেজ হাউজের ১৭ হাজার ৯২৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর মধ্যে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। এতে ১৭ হাজার ৩৩২ জন বা প্রায় ৯৭ শতাংশ বিনিয়োগকারী তাদের অর্থ পুরোপুরি ফেরত পাবেন বলে জানান তিনি।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচারক নুজহাত আনোয়ার জানান, পুঁজিবাজারে স্ক্রিপ নিটিং ও টি+১ চালু চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে হবে। একইসঙ্গে আর্থিক ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে, যা ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে চালুর লক্ষ্য রয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য আলাদা প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ চলছে বলে জানান ডিএসইর এমডি। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেনকে আরও সহজ করা সম্ভব হবে।

ডিএসই এমডি বলেন, ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে নাসডাকের নতুন সফটওয়্যারভিত্তিক নতুন ম্যাচিং ইঞ্জিন চালু করা হবে। ডিএসইর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়নেও বড় ধরনের কাজ চলছে।

দেখুন: পুঁজিবাজারের রক্ষকই যখন ভক্ষক: বেরিয়ে আসছে ডিএসইর থলের বিড়াল

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন