বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় ধর্ষণ মামলায় আত্মগোপনে থাকা ২ আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় অষ্টম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৫) অপহরণ, ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ভিডিও ধারণের চাঞ্চল্যকর মামলায় প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪)।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও মিডিয়া অফিসার প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নেত্রকোনা সদর থানার কুরপাড়া মীরবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি মো. রিফাত দেওয়ান (১৯) এবং তার সহযোগী মো. রিমন আহম্মেদ (২৪)।

র‍্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে প্রধান অভিযুক্ত রিফাত তাকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার রিফাতের পরিবারকে অভিযোগ করলে সে ক্ষিপ্ত হয় এবং মেয়েটিকে অপহরণের ছক কষে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে আসামিরা ভিকটিমকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে রিফাত তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং গোপনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে রিফাতের সঙ্গে বিয়ে না দিলে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় তারা।

এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গত ১৪ আগস্ট কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর থেকে আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে র‍্যাব-১৪ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের র‍্যাব-১৪ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল নেত্রকোনা সদরে অভিযান চালিয়ে মূলহোতা রিফাত ও তার সহযোগী রিমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলমাকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন : ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যা

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন