সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর কায়েম সবুজ নিজেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে সয়াধানগড়ায় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
মতবিনিময় সভায় নূর কায়েম সবুজ বলেন, আমি দলের দুঃসময়ে দলের পেছনে টাকা খরচ করে কাজ করেছি। এ কারণে আমি ব্যবসায়িকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি চাঁদাবাজি বা ধান্দাবাজি করিনি। গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খোঁজ নিতে পারবেন। কোনো ব্যবসায়ী বলতে পারবেন না যে, আমি কারও কাছ থেকে ১০ টাকা নিয়েছি।
তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পরে বিএনপি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। আমরা এখনো ঐক্যবদ্ধ।
নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি রাজপথের ত্যাগী কর্মী হিসেবে কাজ করেছি। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জেলা বিএনপির কমিটি নেই। আমি কাউন্সিল চাই। আমি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছি। আমি একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে সিরাজগঞ্জের দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তথ্য নিলেই জানবেন, আমি কী করেছি।
নূর কায়েম সবুজ আরও বলেন, আশা করি, কেন্দ্রীয় বিএনপি ত্যাগী হিসেবে আমাকে মূল্যায়ন করবে। আর আমি সাধারণ সম্পাদক হতে পারলে দলের নির্যাতিত কর্মীদের মূল্যায়ন করব। ৫ তারিখের পরে দলে হাইব্রিড ঢুকে আছে। আমি ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করব। সুসংগঠিত করব, শৃঙ্খলা বজায় রাখব। যারা রাজপথে ছিল, তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা হবে।
উল্লেখ্য, নূর কায়েম সবুজ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দলের দুঃসময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও ভূমিকা রেখেছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান। চাঁদাবাজি বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ না থাকায় দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তার একটি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে বলেও দাবি করেন তার অনুসারীরা। এ কারণে সিরাজগঞ্জে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তাকে নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
পড়ুন:যানজটের শহরে স্বস্তির উদ্যোগ, হকারদের জন্য ইউএনও,র নির্ধারিত ৯৮ স্থান
ইমি/


