বিজ্ঞাপন

মোহনগঞ্জে শিয়ালজানি খালে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের শিয়ালজানি খালের পানিতে ডুবে পাথর দে নামের ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌর শহরের মাইলোড়া এলাকার শিয়ালজানি খাল থেকে ওই শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত পাথর দে মাইলোড়া এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ দে’র ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নিজ বাসার সামনে শিয়ালজানি খালের পাড়ে সমবয়সী অন্য শিশুদের সাথে খেলতে বের হয় পাথর দে। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও শিশুটি বাসায় ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজনের মাঝে চরম উদ্বেগ দেখা দেয়। তারা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে রাতেই মোহনগঞ্জ থানায় গিয়ে নিখোঁজের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে শিশুর পরিবার। এছাড়া তার সন্ধানে রাতেই এলাকায় মাইকিং করা হয়। চারদিকে খোঁজাখুঁজির পরদিন শুক্রবার সকালে বাসা থেকে কিছুটা দূরে শিয়ালজানি খালের পানিতে পাথরের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাৎক্ষণিকভাবে তারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে খাল থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত শিশুর বাবা প্রদীপ দে শোকাহত কণ্ঠে জানান, “প্রতিদিনই বাসার পাশে খালের পাড়ে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলা করত পাথর। বৃহস্পতিবার বিকালেও সেভাবেই খেলছিল। আমি তখন ব্যবসার কাজে বাজারে ছিলাম এবং ওর মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিল। ধারণা করছি, খেলার ছলে কোনো এক ফাঁকে সে সবার অজান্তে খালে পড়ে যায়। পরে সকালে বাসা থেকে একটু দূরে আমার ছেলের লাশ ভাসতে দেখে এলাকার লোকজন আমাদের খবর দেয়।”

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ করা হয়নি। তাই সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুন : মদনে খাদ্য অধিদপ্তরের লোগোযুক্ত বস্তাসহ ৫ টন চাল জব্দ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন