বিজ্ঞাপন

তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে নতুন কোনও তথ্য নেই

বিজ্ঞাপন

ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে নতুন কোনও তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার দিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য এই সফরের বিষয়ে নতুন কোনও তথ্য তার কাছে নেই।

দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন শুরুর চার দিন বাকি রয়েছে। এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ঢাকা প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের জন্য আরও কূটনৈতিক অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন বলে জানিয়ে দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, এ বিষয়ে আপনাদের জানানোর মতো নতুন কোনও তথ্য আমার কাছে নেই।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর নয়াদিল্লিতে তারেক রহমানের প্রথম সফর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে। ২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে দুদেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। সেই টানাপোড়েন কাটিয়ে উঠতেই উভয়পক্ষের মাঝে আলোচনাও চলছে।

শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের আগস্টে দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং সেখানেই নির্বাসনে রয়েছেন। তাকে ফেরত পাঠাতে ঢাকার পক্ষ থেকে বারবার নয়াদিল্লিকে অনুরোধ করা হলেও ভারত জানিয়েছে, তারা আবেদনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ঢাকায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল বলেন, বৈঠকটি মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল।

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের হাইকমিশনার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন, যেখানে তারা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক, আমাদের যৌথ সম্পর্ক ও দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং আগামী দিনে আমরা কীভাবে এই বিশেষ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে চাই তা নিয়ে কথা বলেছেন।’’

জয়সওয়াল বলেন, আজকের এই নির্ধারিত বৈঠকে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কিছু বিষয়ের ওপরই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

দুই বছর স্থগিত থাকার পর আগামী অক্টোবর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আবার আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘এ বিষয়ে আমার কাছে হালনাগাদ কোনও তথ্য নেই।’’

পড়ুন : ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন