গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকলেও প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নাগরিক সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিষদে সেবা নিতে আসা ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রহিমা বেগম বলেন, “সেবা নিতে এসে বড় কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”
সেবাপ্রত্যাশী মাহাবুল ইসলাম বলেন, “চেয়ারম্যান না থাকলেও সেবা কার্যক্রম বন্ধ নেই। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করছেন।”
৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “নাগরিকরা নিয়মিত প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন। প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদের কার্যক্রম সচল রয়েছে।”
৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাবেদ আলী বলেন, “জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হচ্ছে। সমস্যা হলে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।”
সংরক্ষিত নারী সদস্য স্বপ্না আক্তার বলেন, “নারীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন। কার্যক্রম আরও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে।”
৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তোফাজ্জল বলেন, “জনগণের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরিষদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।”
২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুর ইসলাম সরদার বলেন, “চেয়ারম্যান না থাকলেও সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”
ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা বলেন, “জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদ সচল রাখার বিষয়টি ইতিবাচক।”
সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ বলেন, “সেবা কার্যক্রম চালু থাকায় সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাচ্ছেন। ভোগান্তি কমাতে কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।”
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি সদস্য লোকমান বলেন, “নাগরিকদের সেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”
ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, “সাধারণ মানুষ যেন সহজে ও নিয়ম অনুযায়ী সেবা পান, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।”
সেবাপ্রত্যাশী করিম বলেন, “পরিষদে এসে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে সহযোগিতা পেয়েছি।”
কমলা রানী বলেন, “প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য এসে সেবা পেয়েছি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করেছেন।”
জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমানে ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা বিএডিসি (সেচ) কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।
নিজ দপ্তরের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকলেও পরিষদের কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের নিয়ম অনুযায়ী সেবা দিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা রয়েছে। কোনো অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম ফখরুল হোসাইন বলেন, “চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকলেও ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নাগরিক সেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য পরিষদের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জনগণ যাতে নিয়ম অনুযায়ী সেবা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন:মেহেরপুরে ভারতীয় ফেয়াডিল সিরাপ উদ্ধার
ইমি/


