জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের দেশ এখন ভালো নেই, আমরা সবাই স্বীকার করছি। এইটা সরকারও স্বীকার করতে বাধ্য। আমরা একটি ভালো দেশ চাই। দেশে যেমন শুধু সরকারের নয়, বিরোধী দলও তেমনে দ্বায়িত্বহীন নয়। দ্বায়িত্ব আমাদের উভয়ের রয়েছে। উভয়ই মিলে আমরা দেশ গড়ে চাই। মহাসংকটে এখন দেশ পড়েছে জ¦ালানী এবং বিদ্যুৎ।
শনিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জামায়াত ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা ৬টা জনদাবি দিয়ে রাস্তায় দ্বিতীয় দফায় নেমেছি। প্রথম দফায় বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ ছিলো। এটি সম্পূন্ন হওয়ার পরে গত ৫ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি সূচনা করেছি। আমাদের কোন দলীয় দাবি নেই, এইটা জনদাবি। আমরা জনদাবি নিয়ে নেমেছি। প্রথম কর্মসূচিতে আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আমাদের কর্মসূচি ছিলো নিয়মতান্তিক এবং শুশৃঙ্খল। আমরা হৈ হুলোর ভাংচুর করে, অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংযোগ্য চালিয়ে দেশের কোন ক্ষতি করতে চাই না।
তিনি আরো বলেন, আমরা জনগণের দাবি নিয়ে নেমেছি। তাহলে জনগণের ক্ষতি করবো কেনো? বরং জনগণকে সম্পৃক্তের করার মাধ্যমে দাবি আদায়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হবো। সরকার এক সময় হয়তো এ দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাধ্য হবেন, এ বিষয়গুলোকে সমাধান বের করার।
তিনি আরো বলেন, সরকার দেশের ও জাতীর প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা চাইলে সব সময়ই আমরা প্রস্তত রয়েছি। সরকার সুযোগ করে দিলে বিরোধী দল হিসেবে ন্যায্য অবদান রাখার পক্ষে আমরা রয়েছি। সহযোগিতা হবে চোখ খুলে। বিরোধীতা হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে।
জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা সভাপতি কামরুজ্জামান শাওন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি কামরুল হাসান, শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : ব্রিকস সম্মেলনে যুদ্ধ ও শুল্কের প্রতি নিন্দা প্রকাশ করে যৌথ ঘোষণা


