বিজ্ঞাপন

‘২৭ বছরের ক্যারিয়ারে এমন পেনাল্টি দেখিনি’, রেফারিং নিয়ে আর্তেতার ক্ষোভ

বিজ্ঞাপন

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়। ফলটা স্বস্তির হলেও ম্যাচ শেষে একদমই সন্তুষ্ট ছিলেন না আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। তবে দলের পারফরম্যান্স নয়, তার ক্ষোভের কেন্দ্রে দ্বিতীয়ার্ধে সান্ডারল্যান্ডকে দেওয়া একটি পেনাল্টি।

ঘটনাটি ঘটে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। কর্নার থেকে আসা বলে ডি-বক্সের ভেতর সান্ডারল্যান্ডের ড্যান ব্যালার্ডকে ফাউল করেছেন আর্সেনালের ডিফেন্ডার এজরি কনসা- এমনটাই ধরেন রেফারি স্টুয়ার্ট অ্যাটওয়েল। তাই সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। 

পরে ভিএআরেও সেটি পর্যালোচনা করে পেনাল্টি বহাল রাখা হয়। চলতি মৌসুম থেকে কর্নারের সময় পেনাল্টি এলাকার মধ্যে খেলোয়াড়দের জাপটে ধরা, টেনে ধরা কিংবা ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেফারিদের। 

সিদ্ধান্তের পক্ষে অ্যাটওয়েলের ব্যাখ্যাও ছিল পরিষ্কার, ‘কনসা ব্যালার্ডের ওপর পুরোপুরি উঠে আছে এবং গোলমুখের দিকে না ফিরে উল্টো দিকে মুখ করে আছে।’ 

তবে পেনাল্টি থেকে সুবিধা নিতে পারেনি সান্ডারল্যান্ড। এনজো লে ফে-র নেওয়া শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়া।

এর মাত্র কয়েক মিনিট পরই গোল করে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন ব্রুনো গিমারায়েস। ম্যাচের যোগ করা সময়ে বুকায়ো সাকার পেনাল্টিতে ব্যবধান ২-০ করে জয় নিশ্চিত করে আর্সেনাল।

তবু ম্যাচ শেষে আর্তেতার কণ্ঠে ছিল ক্ষোভ। টিএনটি স্পোর্টসকে তিনি বলেন, ‘এটা বিশাল জয়। কিন্তু ঘটনাটা অন্য রকমও হতে পারত। রেফারিরা ম্যাচের গতিপথই বদলে দিতে পারতেন।’  

পেনাল্টির সিদ্ধান্তের কথাই বলছেন কি না, জানতে চাইলে আর্তেতার জবাব, ‘হ্যাঁ। এটা (পেনাল্টির সিদ্ধান্ত) অগ্রহণযোগ্য। এই পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া যায় না। একেবারেই না।’

নিজের দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতাও টেনে আনেন আর্সেনাল কোচ, ‘ফুটবলে আমার ২৭ বছর হয়েছে। যেভাবেই দেখুন, যে প্রেক্ষাপটেই দেখুন, কোনো পর্যায়েই, কোনো লিগেই এটা পেনাল্টি নয়। আমি ঘটনাটা ১০ বার দেখেছি, নিশ্চিত হওয়ার জন্য।’

মাঠে দেখেই তার মনে হয়েছিল, এমন সিদ্ধান্ত কীভাবে দেওয়া হলো, সেটিই অবিশ্বাস্য। আর্তেতা বলেন,  ‘আমি লাইভ দেখেই ভেবেছিলাম, এ ধরনের ঘটনায় পেনাল্টি দেওয়া সম্ভব নয়। এটা তো জুডোর মতো রোল, একেবারে জুডো রোল। এমন ঘটনা পেনাল্টি হতে পারে না।’

পড়ুন:দ্বিতীয় দিনেই মুখ থুবড়ে পড়ল অক্ষয়-সাইফের ‘হাইওয়ান’

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন