বিজ্ঞাপন

অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০ পারসেন্ট দিয়েন: আসিফ মাহমুদ

বিজ্ঞাপন

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন নিয়োগ ও পদায়নে অর্থ লেনদেন, উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডার থেকে কমিশন গ্রহণ, ঘুষ এবং বিদেশে অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর প্রতিক্রিয়ায় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০ পারসেন্ট দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’

সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত পোস্টটিতে ৮০ হাজারের বেশি রি-অ্যাকশন পড়েছে। মন্তব্য করেছেন ৭ হাজারের বেশি নেটিজেন। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে ২ হাজারের বেশি বার।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে নতুন করে পাওয়া একটি আবেদনও আগে থেকে চলমান অনুসন্ধানের নথির সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। নতুন অভিযোগে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

রবিবার দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

দুদক জানায়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পাওয়া আবেদনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ, দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থায় টেন্ডার এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

দুদকের কাছে করা আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা এবং দেশের ৩৬ জেলায় ডিসি পদায়নের ক্ষেত্রে জনপ্রতি দুই কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছেন দুদকের এই কর্মকর্তা।

একই আবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় আসিফ মাহমুদ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার প্রক্রিয়ায়ও অনিয়মের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়েছে।

পড়ুন : ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন