জজ হত্যা মামলায় মুক্তাগাছা থানা ও ডিএমপি ডিবি এর সহায়তায় আরো পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ মুক্তাগাছা থানাধীন মানকোন ইউনিয়েনের বাদেমাঝিরা এলাকায় মুক্তাগাছা থানা পুলিশের সহায়তায় ৩জন এবং একই রাতে ডিএমপির মেরুল বাড্ডা এলাকায় ডিবি, ডিএমপি, মতিঝিল বিভাগ, খিলগাঁও জোনাল টিমের সহায়তায় ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম ও ঠিকানাঃ
১। মোঃ মনির হোসেন (২৫), পিতা – মোঃ জয়নাল আবেদীন ,মাতা- কহিনুর বেগম , সাং- বারকোনিয়া, থান- তিতাস, জেলা-কুমিল্লা এপি বাসা নং- ল ৩২/৯ মেরুল বাড্ডা বাজার গলি, থানা- বাড্ডা, ডিএমপি, ঢাকা।
২। মোঃ রমজান ওরফে বুলেট (২২), পিতা- মোঃ সেন্টু মিয়া, মাতা -রুবি বেগম, সাং – নয়নপুর চারাইল, থানা- সদর, জেলা– ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এপি – ডি আই টি প্রজেক্ট রোড নাম্বার ১৫ রাজিবের বাসার ভাড়াটি থানা- বাড্ডা ডিএমপি ঢাকা ।
৩। মোঃ আশিক (২২), পিতা -মোঃ শহিদুল ইসলাম, মাতা- আনোয়ারা খাতুন, সাং- রায়চরা, থানা- মুক্তাগাছা, জেলা –ময়মনসিংহ এপি -মধ্য বাড্ডা পোস্ট অফিস গলি মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া
থানা- বাড্ডা, ডিএমপি ঢাকা।
৪। মোঃ রাসেল(২৪), পিতা- মোঃ বাবুল মিয়া, মাতা- মোছাঃ নাছিমা বেগম, সাং- শ্রীমদি, ডাকঘর- হোমনা, থানা- হোমনা, জেলা- কুমিল্লা, এপি – ডি আই টি প্রজেক্ট রোড নাম্বার ১৬ মালেক সাহেবের বাসার ভাড়াটি ,থানা- বাড্ডা ডিএমপি ঢাকা ।
৫।মোঃ সাব্বির খান(২৩), পিতা- মৃত শামীম খান, মাতা- মোছাঃ হাফিজা বেগম, সাং- শ্রীরাম কাঠি(খানবাড়ী),থানা- নাজিরপুর, জেলা- পিরোজপুর, এপি মেরুল বাড্ডা, ডি আই টি প্রজেক্ট রোড নাম্বার ১৫, বাসা নং-১৪, থানা- বাড্ডা ডিএমপি ঢাকা ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সকলেই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য যে, অত্র মামলার ঘটনায় জড়িত পূর্বে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ আব্দুল্লাহ এবং করিমদ্বয়কে গ্রেফতারপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করিলে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে স্বেচ্ছায় ফৌঃকাঃবিঃ আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদান করেন।
অত্র মামলাটির প্রাথমিক তদন্তে, প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে, ভিকটিমের সিডিআর ও সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ পূর্বক ব্যাপক পর্যালোচনা এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতায় জানা যায় যে, গত ০৮/০৯/২০২৬ তারিখ জজ মিয়া(৪৪) তার বর্তমান ঠিকানার বাসা হইতে বের হয়ে গত ০৯/০৯/২০২৬ তারিখ অনুমান ০০.২৮ ঘটিকায় ডিএমপি ঢাকার বাড্ডা থানাধীন মেরুল বাড্ডাস্থ জনৈক মতি বাবুর বাউন্ডারীতে থাকা জনৈক মিন্টুর গ্যারেজে;যায়। পূর্ব থেকেই ওৎ পেতে থাকা গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আব্দুল্লাহ, ২। করিম, ৩। মোঃ মনির হোসেন, ৪। মোঃ রমজান ওরফে বুলেট ৫। মোঃ আশিক, ৬। মোঃ রাসেল, ৭। মোঃ সাব্বির সহ ঘটনার সাথে জড়িত থাকা অন্যান্য আসামীরা পরস্পরের যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উপর্যপরি ধারালো চাকু দ্বারা আঘাত করতঃ ভিকটিম জজ মিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করে সিএনজি যোগে ডিএমপি খিলগাঁও থানাধীন ত্রিমোহনী ব্রীজের নিচে জিরানী খালে ফেলে রেখে চলে যায়।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য যে, এই ঘটনায় ডিএমপি এর খিলগাঁও থানায় নিহত ব্যক্তির স্ত্রী রোজিনা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন যার এফআইআর নং-২১, তারিখ- ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পড়ুন : তালতলীতে ছাগলের পিপিআর রোগ প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী টিকাদান শুরু


