বিজ্ঞাপন

এজিএম করার অনুমোদন পেল বেস্ট হোল্ডিংস: পরিবর্তন হচ্ছে ক্যাটাগরি

বিজ্ঞাপন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস পিএলসি-কে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনের অনুমতি দিয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগ। বিচারপতি সিকদার মাহমুদুর রাজীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে সম্প্রতি এ নির্দেশনা দেন। তবে কোম্পানিকে আগামী ৩১ জানুয়ারি, ২০২৭ তারিখের মধ্যে এজিএম সম্পন্ন করতে হবে। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সময়মতো অডিট রিপোর্ট (নিরীক্ষা প্রতিবেদন) চূড়ান্ত না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০২৫ সালের এজিএম করতে পারেনি বেস্ট হোল্ডিংস। যে কারণে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে কোম্পানিটিকে চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এজিএমের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়।

আদালত জানায়, শুনানি শেষে আদালত বিলম্ব ফি মওকুফ করেছেন এবং এজিএম সম্পন্ন করতে না পারার কারণে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যেকোনো ধরনের আইনি জরিমানা বা দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। একই সাথে, এজিএম সংক্রান্ত যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) প্রয়োজনীয় রিটার্ন ও দলিলাদি গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 এদিকে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে বেস্ট হোল্ডিংসের বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও কম নয়। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়ার ফলে পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বন্ধ রয়েছে মার্জিন ঋণ। বিনিয়োগকারীরাও দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছিলেন কবে কাটবে কোম্পানির এজিএম জট।

আদালতের নির্দেশনার পর এখন কোম্পানিটির সময়মতো এজিএম করার পথ সুগম হলো। এদিকে এজিএম করার পর কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হবে কিনা অর্থাৎ জেড থেকে বের হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান , যেহেতু এজিএম ইস্যুতে তাদের জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আর এখন এজিএমের অনুমোদন পাওয়ায় তাদের ক্যাটাগরি পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। যদি কোম্পানি সঠিক সময়ে এজিএম করতে পারে তাহলে তারা আগের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন