জামায়াত ইসলামির আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ৮ দফা দাবি না মানলে যেকোনো সময় এক দফার আন্দোলনে যাবো। আমাদের আন্দোলন কোন দলের বা গোষ্ঠির বিরুদ্ধে নয়। দেশের ১৮ কেটি মানুষের জন্য। সরকার যদি আমাদের ৮ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। তিনি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন ও চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধে নেতাকর্মীদের ১ দফার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। আর যদি না করে তাহলে ৮ দফার আন্দোলন চলে আসবে এক দফায়।
তিনি আরো বলেন, আমরা যখন গাড়িতে আসছিলাম তখন মানুষের মধ্যে গর্জন শুনতে পেয়েছি। জনগণ হাতের এক আঙ্গুল তুলে বলে এক দফা এক দফা। আপনারা প্রস্তুতি নিন। আন্দোলন সফল করে ঘরে ফিরবো। আমরা এখন ঢাকা থেকে রংপুর যাচ্ছি। কিন্তু আপনাদের লং মার্চ করে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় যেতে হবে।
এ সময় আরও বলেন, যখন ১ দফার দাবী আসবে তখন প্রস্তুতি নিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকামুখী হবেন। দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। লংমার্চের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের ঘরে ঘরে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া, শিল্পকারখানার চাকা সচল রাখা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিতে তাদের এই কর্মসূচি। তিনি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে লং মার্চ উপলক্ষে পথসভায় একথা বলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর শাহিনুর আলমের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য রাখেন, বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মওলানা রফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হক, জামায়াতে সলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে লংমার্চের একটি বহর রংপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
পড়ুন:বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বছরেলেবার হ্যান্ডেলিং ২৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা লুটেরাদের পকেটে
ইমি/


