নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১ নম্বর সহ-সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে তিনি পরিচিত মুখ বলে দাবি করছেন তার সমর্থকরা।
ঢাকার রাজপথের ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সক্রিয় ভূমিকা—বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন বলে তার অনুসারীদের দাবি।
রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, মামলা-মোকদ্দমা ও কারাবরণের মুখোমুখি হওয়ার কথাও উল্লেখ করছেন তার সমর্থকরা। তাদের ভাষ্য, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি আল মুজাহিদ মল্লিক।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েও মনোনয়ন না পাওয়ার পর বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে মাঠে কাজ করার বিষয়টিও তার সমর্থকদের আলোচনায় রয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সাংগঠনিক ভূমিকা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আল মুজাহিদ মল্লিককে ঘিরে তৃণমূলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরছেন অনুসারীরা। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তার জনসম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন—
“রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে সোনারগাঁ উপজেলায় উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”
তবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত কী হয়, তা নির্ধারিত হবে বিএনপির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনকালীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
এখন প্রশ্ন—দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের দাবিকে পুঁজি করে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নিজের অবস্থান কতটা শক্ত করতে পারেন আল মুজাহিদ মল্লিক—সেটিই এখন সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয়।
পড়ুন : জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত সেমিনারে যে বক্তব্য দিলেন ড. ইউনূস


