রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আনজুমান -ই কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদরাসার হোস্টেলের বার্বুচি ফজের আলী (৭০)কে পিটিয়ে হত্যার পর সেই পাগলের আঘাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরতর আহত নারী সোনাবান বিবি(৬৫)ও মারা গেছেন।
শনিবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
গত-শুক্রবার (৩০) অক্টোবর দুপুরে দৌলতদিয়া আনজুমান ই কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদরাসার পাকশালায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
মৃত সোনাবান বিবি গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বাহিরচর দৌলতদিয়া সিদ্দিক কাজীর পাড়ার মৃত সাইমুদ্দিন সেখের স্ত্রী।
গোয়ালন্দ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে- শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আনুমানিক বেলা আড়াইটার দিকে আনজুমান ই কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদ্রাসার হোস্টেলের বাবুর্চি ফজের আলী ছাত্রদের খাবার দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে এক ছদ্দবেশী পাগল ফজেরের কাছে হাজির হয়ে তার কাছে খাবার চান ও পাগল। খাবার হিসাব করা থাকায় তার কাছে কোন খাবার ছিলোনা। এ সময় ফজের কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাছেরখড়ি দিয়ে ফজেরের মাথার পিছন থেকে সজোরে আঘাত করতে থাকেন।এতে বার্বুচি ফজের মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন তার সহকারী সোনা বান বিবি নামে এক স্থানীয় নারী। হামলাকারী পাগল সোনবান বিবিকেও আঘাত করলে সেও গুরুতর আহত হন।তখন স্থানীয় বয়োবৃদ্ধো বাবুর্চি ফজের আলীকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় গোয়ালন্দ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর পরই সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সেই সাথে গুরুতর আহত নারী সোনাবান বিবিকেও উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।সেখানে তার অবস্থা খারাপ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন,বার্বুচির সহকারী সোনাবান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মারা গেছেন। অভিযুক্ত পাগল মো: সেন্টু নাটোর সদর উপজেলার একডালা দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
পড়ুন : খালিয়াজুরীতে স্টে অর্ডার অমান্য করে জলমহালে মাছ ধরায় লাখ টাকা জরিমানা


