কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আজ বুধবার সকালে মীমাংসার পরই আবারো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রক্টর, সহকারী প্রক্টর, আইসিটি বিভাগের সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আইসিটি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
এরআগে মঙ্গলবার কুষ্টিয়াগামী গোধূলী বাসে উচ্চস্বরে গল্প করাকে কেন্দ্র করে বাংলা ও আইসিটি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে আজ বুধবার সকালে প্রক্টর অফিসে দুই বিভাগের সভাপতি, শিক্ষার্থী ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে ৩টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল উভয় পক্ষের নিঃশর্ত ক্ষমা, ভবিষ্যতে বিশৃঙ্খলা হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়ভার এবং শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং।
তবে মীমাংসার পর প্রক্টর অফিস থেকে বের হওয়ার সময় ফের দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন। পরে ক্ষুব্ধ আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
জড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সভায় বসেছে বাংলা বিভাগ। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান।
পড়ুন : মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সা/


