বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিকিৎসা শেষে সিরাজগঞ্জে ফিরলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বাচ্চু

দীর্ঘ ১১ দিন ঢাকায় চিকিৎসা শেষে সিরাজগঞ্জে ফিরেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।

তার প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় থেকে শহর পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে সাইদুর রহমান বাচ্চুর গাড়িবহর যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় প্রায় এক হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে তাকে স্বাগত জানান।

পরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ তাকে শহরের মুন্সি মেহেরউল্লাহ সড়কসংলগ্ন নিজ বাসভবনের দিকে নিয়ে আসেন।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সাইদুর রহমান বাচ্চু। শনিবার থেকেই তিনি অসুস্থতা অনুভব করছিলেন এবং পরদিন শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিরাজগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে ওইদিন দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

ঢাকায় নেওয়ার পর তিনি রাজধানীর উত্তরার আই কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে আজ বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জে ফেরার খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। যমুনা সেতু পশ্চিমপাড়ের পাশাপাশি সয়দাবাদ মোড়, কড্ডার মোড়, বনবাড়িয়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অবস্থান নেন।

বাচ্চুর গাড়িবহর এসব এলাকা অতিক্রম করার সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এতে পুরো শহরজুড়েই উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এদিকে সাইদুর রহমান বাচ্চুর শহরের মুন্সি মেহেরউল্লাহ সড়কসংলগ্ন বাসভবনের সামনে দুপুর থেকেই মহিলা দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রিয় নেতার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সেখানে নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের আমেজ বিরাজ করে।

দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সাইদুর রহমান বাচ্চুর সিরাজগঞ্জে ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রূপগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন