বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কবিরহাট পৌরসভার মেয়র রায়হানের ‘মা’ নূর জাহান গাজীর মৃত্যু

নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভার ইতিহাসে প্রথম নারী মেয়র প্রার্থী ও সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হানের মা নূর জাহান গাজী আর নেই। বুধবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রামের জিএসসি মোড় এলাকার মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি ৫ ছেলে, ৪ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমা নূর জাহান গাজী কবিরহাট উপজেলার ২ নম্বর সুন্দলপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের মরহুম হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়ার জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর বড় বোন এবং কবিরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রায়হানের মা। তাঁর স্বামী ছিলেন মরহুম গাজীউল হক।

স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক ইতিহাসে নূর জাহান গাজীর বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। ১৯৯৯ সালে অনুষ্ঠিত কবিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে তৎকালীন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফখরুল ইসলাম দুলালের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। সে সময়ের তুলনামূলক রক্ষণশীল সামাজিক পরিবেশে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি কবিরহাট পৌরসভার ইতিহাসে প্রথম নারী মেয়র প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

তাঁর এই নির্বাচনী অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণ করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবাগান এলাকার গাজীউল হক সাহেবের নতুন বাড়ির প্রাঙ্গণে মরহুমার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

নূর জাহান গাজীর মৃত্যুতে কবিরহাটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জুড়ীতে ৫০ বিঘার খামারে মরল ২০ টন মাছ, বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন