মাগুরা সদর উপজেলার আজমপুর গ্রামের হারুন মোল্যার পুত্র আবেদ আলী (২১) ৬ মাস আগে প্রেম করে বিয়ে করেন মনমনসিংহ জেলার শারমিন আক্তার (১৯) নামে এক নারীকে।
জানাগেছে, আবেদ আলী ঢাকায় গাজীপুরে চাকরি করে। সেই সূত্র ধরে ঢাকা থেকে শারমিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে এক বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। ৬ মাস আগে থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। গতকাল রাতে বিছানা থেকে আবেদ আলীর স্ত্রী শারমিন তার পুরুষাঙ্গের গোড়া থেকে কেটে ফেলে। এরপর গলায় কোপ দিতে গেলে ঠেকাতে গিয়ে আবেদ আলীর হাতের দুটি আঙ্গুল কেটে যায়। গুরুতর আহত অবস্থা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে।
এরপর শারমিন রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায় (সিসিটিভি ফুটেজ)। আহত আবেদ আলীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী আবেদ আলীর ভাই জাবেদ আলী। আসামি শারমিন এখনও পলাতক রয়েছে।
এদিকে এই ঘটনায় আবেদ আলীর গ্রামের বাড়িতে চলছে কান্নার রোল। তাদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। আবেদ আলীর মা জানান, তার ছেলে বিয়ে করে কখনোই বউ নিয়ে বাড়িতে আসেনি। বিয়ের পরে বউকে নিয়ে তার ছেলে ঢাকা গাজীপুরের একটি বাসায় ভাড়া থাকতো।
আবেদ আলীর চাচা জানান, তার ভাতিজা খুব ভালো ছাত্র ছিলো। ঢাকায় ভালো বেতনে চাকরি করতো। বিয়ে করে বউ নিয়েই থাকতো সে। পরিবারের বিয়ের পরে আর দেখা করতে আসেনি। এই ঘটনার শাস্তি দাবি করে আসামী শারমিনকে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এঘটনায় ঢাকা গাজীপুর মেট্রপলিটন পুলিশের একজন এসআই বলেন, এঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি খোজার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী আবেদ আলী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভতি আছে। তাকে আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
পড়ুন : সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পর্নোগ্রাফির মামলায় এক যুবক গ্রেপ্তার


