রাজশাহীর পুঠিয়ায় একটি বিদ্যালয়ে তালা, বাঁশের বেড়া এবং কলাগাছ রোপণ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে দাতা সদস্য।
শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা বিদ্যালয়ে এই ঘটনার খবরের সত্যতা পাওয়া গেছে।দাতা সদস্য আজাদ আলীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ করে বলেন, আজাদ আলী তাঁর ছেলে ও ভাতিজাকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে আগে থেকে থাকা তালার ওপর নতুন তালা লাগান। পরে প্রধান ফটক বাঁশ দিয়ে ঘিরে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ফাঁকা জায়গায় কলাগাছের চারা রোপণ করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বাঁশের বেড়া এবং ভেতরে রোপণ করা কলাগাছের চারা দেখা যায়।
দাতা সদস্য আজাদ আলী বলেন, সেখানে টেকনিক্যাল কলেজ করার কথা ছিল। তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও ছিল। কিন্তু সেই নামে প্রতিষ্ঠান হয়নি এবং চাকরিও দেওয়া হয়নি। এ কারণেই তিনি তালা দিয়ে কলাগাছ লাগিয়েছেন বলে জানান।
প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজার দাবি, আজাদ আলী নিঃশর্তভাবে প্রতিষ্ঠানকে জমি দান করেছিলেন। পরবর্তীতে চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে কমিটির সঙ্গে তাঁর সমঝোতা হয়েছিল। এ বিষয়ে কমিটির রেজুলেশনও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জমি ও প্রতিষ্ঠানের নাম নিয়ে বিরোধের জেরে আজাদ আলী ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর আদালতে মামলা করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ে তালা ও বেড়া দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, দাতা সদস্যের দাবি সঠিক নয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে এবং নিয়মিত পাঠদান চলছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড নতুন ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদনও দিয়েছে। এদিকে বিদ্যালয়ে তালা ও বাঁশের বেড়া দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পড়ুন:উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে
ইমি/


