রাজবাড়ীতে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবৎজীবন কারাদন্ডসহ পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে রাজবাড়ীর আদালত।
সোমবার দুপুর সোয়া ১ টার দিকে রাজবাড়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রইব্যুনাল আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
আসামী শহিদুল ইসলাম (৩৩) রাজবাড়ী বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের পাকালিয়া গ্রামের মৃত মকছেদ ফকিরের ছেলে। বর্তমানে আসামী পলাতক রয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে বালিয়াকান্দি থানায় তার স্বামী শহীদুল ইসলামকে আসামী করে ঘটনার একবছর পর ২০২২ সালের জানুয়ারী মাসের ১২ তারিখে মামলাটি দায়ের করেন।এ মামলার ঘটনায় ২০২১ সালের নভেম্বর মাসের ২৫ তারিখ রাত ১ টার দিকে ও একই বছরের ডিসেম্বর মাসের ২৮ তারিখে রাত ১১ টার দিকে মেয়ের শয়ন কক্ষে ঢুকে আসামী শহীদুল ইসলাম তার মেয়েকে জোর-জবরদোস্তি করে ধর্ষন করে। এছাড়াও সে বিগত এক বছর যাবৎ বিভিন্ন সময় ধর্ষন করে আসছিলো তার মেয়েকে। এ অনৈতিক কাজে বাদী তার স্বামীকে বিভিন্ন সময়ে বাঁধা দিলে তাকে ও তার মেয়ে উভয়কেই মারধর ও মেরে ফেলার হুমকী দিতে থাকে। পরে বাদী তার বাবার বাড়ীর পরিবারের সাথে আলোচনা করে বালিয়াকান্দি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এ মামলার আইনজীবি জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, ধর্ষণ মামলায় বাবা শহিদুল ইসলামকে আদালত যাবৎজীবক কারাদন্ড ও ৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে। এতে বাদী পক্ষ সন্তষ্ট।দীর্ঘ একবছর ধরে নিজের মেয়েকে ধর্ষন করার পর মেয়ের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। আসামী তার স্বামী শহীদুল ইসলাম পলাতক রয়েছে।
পড়ুন : বিদ্যালয়ের কক্ষে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা: শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড


