কুষ্টিয়ায় এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল পুলিশের বাধায় পন্ড

কুষ্টিয়ায় নিরাপত্তাজনিত কারনে এনসিপির পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ। এনসিপি নেতা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই কর্মসূচী ঘোষণা করেছিলো দলটি। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কুষ্টিয়া শহরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে এই মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। প্রায় ঘন্টাখানেক পর মিছিল না করেই ফিরে যান দলটির নেতাকর্মিরা।

সূত্রমতে, বিকেল ৪টা থেকে পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জড়ো হতে থাকেন এনসিপির নেতাকর্মিরা। পরে তারা রাস্তায় বের হতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। এসময় দলটির নেতাকর্মিরা সেখানে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা ইনকিলাব-ইনকিলাব জিন্দাবাদ-জিন্দাবাদ, পুলিশ দিয়ে রাজনীতি, চলবে না চলবে না, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ-রাজপথ, কে এসেছে কে এসছে-স্বৈরাচারের দোসরেরা সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় কার অনুমতিতে তাদের বাধা দেয়া হচ্ছে সেটা পুলিশের কাছে জানতে চান এনসিপির নেতাকর্মিরা।
দলটির জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনি সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ আমাদের রাস্তায় বের হতে দিচ্ছেনা। কার আদেশে এবং কেন সেটাও বলছে না।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি জাকির হোসেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে তারা পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে বিক্ষোভ করবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারনে তাদের রাস্তা যেতে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এই সময় এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনি, সদস্য সচিব সুলতান মারুফ তালহা সহ দলটির নেতাকর্মিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়াস্থ লালন আখবাড়িতে বেড়াতে এসে হামলার শিকার হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এসময় তাকে বহন করা গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এসময় তার দিকে ডিম নিক্ষেপেরও ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের সাহায্যে এলাকা ত্যাগ করেন তিনি। জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মিরা এই হামলার নেতৃত্ব দেন বলে এনসিপির নেতাদের অভিয়োগ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পিরোজপুরে সেবাশ্রমে গ্রিল কেটে চুরি, পূজার সামগ্রী খোয়া যাওয়ার অভিযোগ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন