নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। এরই মধ্যে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য ইউপি সদস্য প্রার্থীদের তৎপরতায় নির্বাচনী মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। চলছে চা-চক্র, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময়।
ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হারুন খলিফা সম্ভাব্য সদস্য প্রার্থী হিসেবে এরই মধ্যে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। প্রতিদিন নিয়ম করে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে চা-চক্র ও উঠান বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন তিনি। এসব আয়োজনে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলছেন এবং নির্বাচিত হলে নানা উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দিচ্ছেন।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হারুন খলিফার গণসংযোগে এলাকায় বেশ সাড়া মিলছে। অনেক ভোটারই তাকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন বলে দাবি তার কর্মী-সমর্থকদের। তবে নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারুন খলিফা ওই ওয়ার্ডের প্রয়াত আসাদুজ্জামান পাখি খলিফার ছেলে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খুব বেশি না থাকলেও ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক মূল্যবোধ ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন তিনি। এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন বলে স্থানীয়দের অনেকে জানান।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি চরপুটিমারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের একাংশের সমর্থন ও অনুরোধে এবার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
হারুন খলিফা বলেন, ‘ভোটারদের কাছ থেকে যে সাড়া ও ভালোবাসা পাচ্ছি, তাতে আমি আশাবাদী। যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচিত হতে পারলে এলাকার মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করব এবং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের এমন আগাম প্রচারণায় চরপুটিমারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ তৎপরতা আরও বাড়বে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
পড়ুন:স্বাক্ষরিত জুলাই সনদই বাস্তবায়ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইমি/


