ধামরাইয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ ইটভাটা ভাঙল প্রশাসন, এ সপ্তাহে আরও দুই অভিযান

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন একটি ইটভাটা ভেঙে দিয়েছে প্রশাসন। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের পাইচাইল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ঘটনায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে চলতি সপ্তাহে আরও দুটি অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মামুন।ইউএনও আল মামুন বলেন, ধামরাইয়ে কোনো অবৈধ ইটভাটা থাকতে পারবে না। নতুন করে অবৈধ ইটভাটা নির্মাণের সুযোগ নেই।

বিজ্ঞাপন

আগে থেকে থাকা অবৈধ ইটভাটাগুলোও উৎপাদনে যেতে পারবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ইট উৎপাদনের চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পাইচাইল গ্রামে নির্মাণাধীন ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় ঘটনাস্থলে মালিককে পাওয়া যায়নি। সেখানে শ্রমিকদের পাওয়া যায়।

অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে মারুফ নামের এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া হীরা নামের আরেক ব্যক্তির নামও উঠে এসেছে। তবে তাঁদের মালিকানা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, মারুফ নামের ওই ব্যক্তির আরেকটি ইটভাটায় আগেও উৎপাদন বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

নোটিশের পরও উৎপাদনের প্রস্তুতি নিলে কঠোর ব্যবস্থাইউএনও আল মামুন জানান, ধামরাইয়ের অবৈধ ইটভাটাগুলো যাতে উৎপাদনে যেতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে।

ইট তৈরির জন্য শ্রমিকদের সঙ্গে চুক্তি না করতেও নিষেধ করা হয়েছে। এরপরও কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি বলেন, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান শুধু অব্যাহতই থাকবে না, বরং আরও জোরদার করা হবে। চলতি সপ্তাহে আরও দুটি অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। পূজার ব্যস্ততা থাকলেও এ অভিযান বন্ধ হবে না।

পড়ুন : ভারতের সামনে কী এবার মোদী পতনের আভাস?

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন