ঢাকার ধামরাই উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের খানা জরিপ। প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার কুল্লা ও চৌহাট ইউনিয়ন এবং ধামরাই পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ধামরাইয়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা উপলক্ষে জরিপকাজে নিয়োজিত সুপারভাইজার ও জরিপকারীদের হাতে ট্যাব তুলে দেওয়া হয়। ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য মো. তমিজ উদ্দিন এবং ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন তাঁদের হাতে এসব ট্যাব তুলে দেন।
এ সময় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান। ট্যাব গ্রহণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় খানা জরিপ পরিচালনার প্রস্তুতি শুরু করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার ও জরিপকারীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ জরিপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় তথ্য নথিভুক্ত করার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রথম পর্যায়ে কুল্লা ও চৌহাট ইউনিয়ন এবং ধামরাই পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডকে জরিপের আওতায় আনা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় পরিবারগুলোর তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করা এবং জরিপের প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার ও জরিপকারীদের মাধ্যমে নির্ধারিত এলাকায় তথ্য সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড পেতে টাকা লাগবে না
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রতি বিশেষ সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো ধরনের টাকা দিতে হয় না। এ কার্যক্রমের নামে কোনো ব্যক্তি অর্থ দাবি করলে তাঁকে টাকা না দিয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
কেউ যেন ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ধামরাই উপজেলায় প্রথম পর্যায়ের জরিপ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নির্ধারিত এলাকার পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য এলাকাকেও জরিপের আওতায় আনার কথা রয়েছে।
পড়ুন : রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২
সা/


