নারায়ণগঞ্জে এক রাতে তিন স্থানে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯

নারায়ণগঞ্জে পৃথক তিনটি স্থানে গ্যাস বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে নারীসহ অন্তত ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত কাঁচপুর, ফতুল্লা ও শহরের দেওভোগ এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত দেড়টার দিকে কাঁচপুরে তাজুল ইসলামের ছয়তলা ভাড়াটিয়া বাড়ির দ্বিতীয় তলায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। তাঁদের মধ্যে পোশাক কারখানার শ্রমিক রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ, তাঁর স্বামী শরিফের ৪০ শতাংশ, ভাই রিয়াজের ৪০ শতাংশ এবং রনির ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

একই রাতে ফতুল্লায় একটি রাসায়নিক গুদামে বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই শ্রমিক দগ্ধ হন। তাঁদের মধ্যে আনোয়ারের শরীরের ৫৪ শতাংশ এবং শামসুলের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

এদিকে, সোমবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ আখড়া এলাকায় একটি তিনতলা ভবনের নিচতলার রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে গৃহবধূ শিখা রানী, তাঁর স্বামী মনা আচার্য ও বৃদ্ধ শাশুড়ি দগ্ধ হন। তাঁদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। বিস্ফোরণে পাশের একটি টিনশেড ঘরে থাকা আরও একজন আহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের মণ্ডলপাড়া ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, কাঁচপুরে গ্যাস সিলিন্ডার এবং দেওভোগে তিতাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। ফতুল্লার রাসায়নিক গুদামে গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার।

পড়ুন : বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা পর্যন্ত রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন