২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ৪ ও হামে ২ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজন আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। প্রাণ হারানো এই চারজনের সবাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত একদিনে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ২ হাজার ১৬৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগের দিন (রবিবার) এক দিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৯৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৭ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে এক লাখ এক হাজার ৪৪২ জনে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশে চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়, যেখানে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৮৪ জন মারা গেছেন। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু না হলেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া দুই রোগীর একজন কিশোরগঞ্জ এবং অপরজন হবিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।

চলতি বছরে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক হাজার ১৬৪ জন। এর মধ্যে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে মারা গেছেন ১০৪ জন এবং বাকি এক হাজার ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, যা নিয়ে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৫৭৩ জনে। একই সময়ে আরও এক হাজার ২৬৯ জনের শরীরে হামের লক্ষণ বা উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে মোট সন্দেহভাজন বা উপসর্গযুক্ত সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ছয় হাজার ২৯৭ জনে।

পড়ুন : অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন