টাঙ্গাইলে প্রথম বারের মতো রেমিট্যান্স উৎসব অনুষ্ঠিত

টাকা আসে, ভবিষ্যত গড়ে’- এই স্লোগান নিয়ে টাঙ্গাইলে প্রথম বারের মতো রেমিট্যান্স মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যোনে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় প্রবাসী পরিবার, স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা, যুবসমাজ সমাগম ঘটে। সকালে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।

বিজ্ঞাপন

মেলায় প্রায় বিভিন্ন সংস্থার স্টল অংশ গ্রহণ করে। এ উৎসবে প্রবাসী পরিবার, বিদেশফেরত কর্মী, সম্ভাব্য অভিবাসী, তরুণ-তরুণী, নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনগণ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল আন্তঃস্কুল আর্থিক সাক্ষরতা কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা।

মেলার স্টলে প্রবাসী কর্মী, বিদেশগামী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য রেমিট্যান্স পাঠানো, ব্যাংকিং সেবা, বৈধ পথে অর্থ প্রেরণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য ও সেবা তুলে ধরা হয়। মেলায় অংশগ্রহণকারীরা প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারেন। মেলায় অংশ নেওয়া স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার প্রদর্শনী করেন।

জাতিসংঘের মূলধন উন্নয়ন তহবিলের কান্ট্রি প্রজেক্ট ম্যানেজার সাদাত মাইনউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ.এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, জেলা জনশক্তি ও কর্মস্থান অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের অধ্যক্ষ রাশেদুল ইসলাম, ব্যুরো বাংলাদেশের টাঙ্গাইলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শাহজাহান আলীর প্রমুখ।

মেলার অংশ গ্রহণকারীরা বলেন, আজকের এ আয়োজনটি সত্যিই ভালো ভালো। বৈধভাবে বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স পাঠাতে হবে। তাহলে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠালে রেমিট্যান্স ভাড়বে।

আয়োজকরা জানায়, রেমিট্যান্স উৎসবের মাধ্যমে রেমিট্যান্সকে কেবল দৈনন্দিন ব্যয়ের উৎস হিসেবে নয়, বরং সঞ্চয়, বিনিয়োগ, আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড ও টেকসই আর্থিক স্থিতিশীলতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে পরিবার ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে। রেমিট্যান্স কেবল একটি পরিবারের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যই আনে না, বরং সঠিক ও পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, প্রবাসীরা যাতে রেমিট্যান্স বৈধভাবে পাঠাতে পারে এবং এর সুষ্ঠু ব্যবহার হয় এ জন্য এ উৎসব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই উৎসব থেকে কিভাবে জ্ঞান নিয়ে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারে তা সবাইকে অবগত করেছি।

পড়ুন:দুর্গোৎসবে বিএনপির নেতা কর্মীরা প্রহরীর দায়িত্ব পালন করবেন

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন