জাতীয় সংসদের হুইপ মিঞা নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং যোগাযোগব্যবস্থার সুবিধা বিবেচনা করে প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে এই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শুক্রবার দুপুরে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যায় জয়ন্তী নদীসংলগ্ন প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ অপু বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ জমি ও উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। জমির প্রাপ্যতা, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক বিষয় বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে এ স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অন্য স্থানে জমি অধিগ্রহণের ব্যয় বহন করা কঠিন হতো। এখানকার মানুষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে দিতেও সম্মতি জানিয়েছেন।
যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে বরিশালগামী রেললাইন নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডির প্রস্তুতি চলছে। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে হুইপ বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বিত সিদ্ধান্তের ফল।
পড়ুন : ৫ বছর পর টাঙ্গাইলে প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগ শুরু


