টাঙ্গাইলে সাবেক চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার ও নাগরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল কুদ্দুস মিয়া এবং তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার ভারড়া চেয়ারম্যান বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার স্ত্রী রওশন আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে রওশন আক্তার বলেন, সম্প্রতি প্রতিবেশি সুশান্ত এলাকার মানুষেদের মিথ্য কথা বলে আমাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে অপপ্রচার চালায়। এতে আমার পরিবারের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন এবং সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। আমি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।  সেখানে তিনি দাবি করেছে একটি হাসপাতাল, মন্দির ও শ্মশান করবে তার পৈতিক সম্পতিতে। সেই মাটি ভরাটের কাজের সময় আমরা দল বল নিয়ে বাধা দিয়েছি। আমাদের এই সম্পতি ক্রয়ক্রিত সম্পতি। বাংলাদেশে আইন অনুযায়ী আমরা অর্পিত সম্পতি অতিরিক্ত টাইব্যুনালে ২০১২ সালে মামলা করে ডিগ্রি লাভ করেছি।

শশান্ত বলেন পৈত্রিক সম্পতি ১২৬ ডিমিমালের জমি হাল দাগ ১২৬৪। এটা সম্পূন মিথ্যা।

তিনি আরো বলেন, ১২৬৪ দাগে ১২৬ ডিসিমাল জমি তার বাপ চাচা সহ তিন জনের। এবং তার হাল খতিয়ান ১/১ পড়ে আছে। উনি দাবি করেন আমি তার জমি দখল করে খাচিচ্ছ এবং আমার ছেলেরা নেশা এবং মাদক বিক্রি করে। যা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমদের এলাকায় তিনটা হিন্দু বাড়ি রয়েছে।  সমাজের আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বিচার চাই। একটা স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু কুচক্রি মহল মানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।

অবিলম্বে এ সব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে প্রশাসনকে এই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর পেছনের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় মোনায়েম হোসেন, আব্দুল্লাহ হেল আল রাজি, হাবিুর রহমান এবং মজিদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত ঝালকাঠির তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন