কেউ কেউ দেশে অস্থিরতা করতে চাইলেও, সেটিকে সরকার আমলে না নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে সংবেদনশীল আচারণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি সোমবার রাতে যশোর শহরের রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনে দূর্গাপূজা পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অস্থিরতা কেউ কেউ করতে চাইতে পারে। সেটিকে আমলে না নিয়ে বরং গুরুত্ব দিয়ে সরকার সংবেদনশীল আচারণ করেছে। কুষ্টিয়াতে অস্থিরতা করার প্রচেষ্টা করা হলেও সেখানে লালমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান হয়েছে। আমি নিজেও সেই অনুষ্ঠানে ছিলাম। এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে বাংলাদেশের মানুষ বিচেলিত নয়। সরকার বিচলিত নয় বরং আরও পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে এসব মোকাবেলা করতে সরকার যে প্রস্তুত সেই বার্তাটি দিচ্ছি।
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে শারদীয় উৎসব হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশে শক্তির জায়গা মানুষে মানুষে ঐক্য। হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিষ্টান এই ভেদাভেদ বাংলাদেশের মানুষ ধারণ করে না। একটি সুবিধাবাদী গুষ্টি কখনো রাজনৈতিক, কখনো সামাজিক কখনো অর্থনৈতিক স্বার্থে আমাদের ভিতর ধর্মের বিভক্তির রেখা টানতে চান। দিনশেষে বারবার আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে উঠে দাঁড়ায় বাংলাদেশের শক্তির বলিয়ান হয়ে। ২৪ গণঅভ্যুত্থান, ২৬ এর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আবারও দেখিয়ে দিয়েছে, হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সকলে এক হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। ইতোমধ্যে আমরা সেই পথে হাঁটছি।
পরে প্রতিমন্ত্রী শহরে বেজপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শনে যান। সেখানেও সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাড. হাজী আনিসুর রহমান মুকুল, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশনন্দী মহারাজ প্রমুখ।
পড়ুন : নাটোরে ওভারটেকিং করতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ঘে নিহত ১৪
সা/


