নাট্যকার অপূর্ব কুমার কুন্ডু’র রচনায় এবং এস এম মাশফিক আহমেদ অন্তর এর নির্দেশনায় ভারতের গুজারাতে অবস্থিত দ্যা মহারাজা সায়াজিরাও ইউনিভার্সিটি অফ বারোদাতে আগামীকাল ২৩ অক্টোবর সকাল ১১টায় বিভাগীয় অডিটোরিয়ামে প্রথম মঞ্চায়ন হচ্ছে নাটক যাত্রাপালা। বিলুপ্তপ্রায় শিল্প মাধ্যমের যাত্রাশিল্পীদের সামাজিক জীবনের দ্বায়বদ্ধতা ও সংকট নিরসনের নাটক “যাত্রাপালা”।
নির্দেশক এস এম মাশফিক আহমেদ অন্তর বলেন, “যাত্রাপালা নাটকটি বাংলায় রচিত হলেও এটি বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রণে নির্মাণ করা হয়েছে। দেশের বাইরে এরকম একটি প্রযোজনা চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। নাটকটি শুধু মঞ্চস্থ হচ্ছেই না এখানে বাংলাদেশের জাতীয় ঐতিহ্য যাত্রাপালাকে উপস্থাপনও করা হচ্ছে। বাংলার ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা এবং ভিন্ন ভাষায় দেশকে উপস্থাপন করা আনন্দদায়ক বটে তবে তা চ্যালেঞ্জের। বাংলা নাটককে সর্বত্র পৌঁছে দিয়ে জনজীবনে যাত্রাশিল্পীদের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, টানাপোড়েন এবং সংকট উত্তরণের মধ্যে দিয়ে নাটকটি মঞ্চায়ন করা হচ্ছে।”
নাট্যকার অপূর্ব কুমার কুন্ডু বলেন, “বিশ্বায়নের মূলস্রোতে সর্বজনীন শিল্পসৃজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। সেখানে থিয়েটারের মাধ্যমে যাত্রা শিল্পের ঐতিহ্য-শক্তি এবং সম্ভাবনাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে আমার একটি রচনা যে জায়গা করে নিয়েছে সে কারণে আমি সকলের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।”
নাটকটিতে অভিনয় করেছে জাইভাল সনি, মার্ম দাভে, আনেরি, ভারগাভ, প্রাখার, জায়মিন প্রমুখ। এই নাটকের বিউটিবালা চরিত্রে অভিনয় করেছে এম এস ইউ বারোদা’র চতুর্থ বর্ষের বাংলাদেশী শিক্ষার্থী প্রমি ভট্টাচার্য। নাটকটিতে মঞ্চ ব্যাবস্থাপনায় মধুসূদন ভাংকার, লাইটে ধ্রুভ পান্ডর, আবহ সংগীতে বাংলাদেশী চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অন্বেসা মজুমদার। নাটকটির রুপসজ্জায় শ্রীলংকান পি এইচ ডি শিক্ষার্থী কেথিস আন্না।
“নাটকে লোক শিক্ষা হয়” এই ভাবার্থেই ২০১৫ সালে বিবেকানন্দ থিয়েটার এর হাত ধরে যাত্রা শুরু করে নির্দেশক মাশফিক অন্তর এখন ভারতের গুজারাতের দ্যা মহারাজা সায়াজিরাও ইউনিভার্সিটি অফ বারোদা’র ড্রামাটিক্স ডিপার্টমেন্ট এর তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
পড়ুন : মাহবুবুল খালিদের কথা ও সুরে কণ্ঠ দিলেন আসিফ আকবর


