সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে বাবা-মেয়ের মৃত্যু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মিনিবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও তাঁর দুই বছর বয়সী মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ লোকজন মহাসড়ক অবরোধ করে দুর্ঘটনায় জড়িত মিনিবাসে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও আটকে দেওয়া হয়।
‎
‎শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়ার পাঠানিপুল এলাকায় ইকবাল কনভেনশন হলের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
‎
‎নিহত দেলোয়ার হোসেন (৩৩) সাতকানিয়ার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুস সাত্তারের ছেলে। নিহত শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাঁর মেয়ে।
‎
‎দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক অবরোধ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা।
‎
‎খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
‎
‎দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবছার বলেন, দুর্ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। বাসে আগুন দেওয়া, পুলিশের ওপর হামলা এবং ফায়ার সার্ভিসের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
‎
‎সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকী বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎
‎চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকারি কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কক্সবাজারে ফের হোটেলে আগুন

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন