গাজীপুরে জোরপূর্বক অফিস সহকারীকে ঋণের জামিনদার বানানোর অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে এক সরকারি কর্মচারীকে ব্যক্তিগত ঋণের জামিনদার (গ্রান্টার) করার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২৭ অক্টোবর সোনালী ব্যাংক, শ্রীপুর থানা হেডকোয়ার্টার্স শাখায় দায়ের করা এক লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. আনোয়ার হোসেনকে জামিনদার করে একই অফিসের উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আ. আউয়াল ফরাজী তাঁর ব্যক্তিগত বেতন-ভাতার বিপরীতে সোনালী ব্যাংক, শ্রীপুর থানা হেডকোয়ার্টার্স শাখা থেকে ২০,০০,০০০ (বিশ লক্ষ) টাকার ঋণ গ্রহণ করেন।

তবে অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন অভিযোগে উল্লেখ করেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আ. আউয়াল ফরাজী তাঁকে অনিচ্ছাকৃতভাবে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে উক্ত ঋণের গ্রান্টার ফাইলে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। তিনি অফিসগতভাবে একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী হওয়ায় সে সময় চরম অসহায় অবস্থায় এই অনৈতিক বাধ্যবাধকতার শিকার হন।

এ বিষয়ে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল আউয়াল ফরাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আমার গ্রান্টার হয়েছেন। এখন নাটক করছেন। তবে তিনি যদি না চান, আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব এবং প্রয়োজনে অন্য কাউকে নেব।”
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মচারী তাঁর অনিচ্ছাকৃতভাবে স্বাক্ষরিত গ্রান্টারপত্রটি বাতিল করে তাঁকে জামিনদার হওয়ার দায় থেকে পুরোপুরি মুক্তির আবেদন জানিয়ে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক, “অলকা প্রভা দে” বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন ক্ষমতার অপব্যবহার ও জোরপূর্বক স্বাক্ষরের ঘটনায় স্থানীয় মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চুয়াডাঙ্গায় হত্যা ও মাদক মামলার, তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন